English
বুধবার ০৮ জুলাই ২০২০
...

বাংলাদেশে দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ২৪, মোট সনাক্ত ৩০ হাজার

করোনাযুদ্ধ

ঢাকা, ২২ মে ২০২০, শুক্রবার: গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক নতুন ২৪ জন মৃত্যুবরণ করেছেন আর এতে মোট মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো ৪৩২ জনে। নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১,৬৯৪ যোগ হয়ে ৩০ হাজার ২০৫ জনে পৌঁছালো।

আজ দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত সার্বিক পরিস্থিতি বিষয়ে বিষয়ে নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তাঁর দেয়া তথ্য মতে, বাংলাদেশে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক নতুন ২৪ জন মৃত্যুবরণ করেছেন আর এতে মোট মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো ৪৩২ জনে। মৃত্যুস্থান অনুযায়ী ২৪ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৩ জন এবংঅন্যান্য বিভাগে ১১ জন মারা গেলেন।

আর বয়সের পরিসংখ্যান অনুসারে মৃত ২৪ জনেই মধ্যে ২১-৩০ বৎসর বয়সী ৫ জন, ৩১-৪০ বৎসর বয়সী ৩ জন, ৪১-৫০ বৎসর বয়সী ২ জন, ৫১-৬০ বৎসর বয়সী ৫ জন, ৬১-৭০ বৎসর বয়সী ৬ জন, ৭১-৮০ বৎসর বয়সী ২ জন এবং ৮১-৯০ বৎসর বয়সী ১ জন।

আর এদিকে, সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১,৬৯৪ যোগ হয়ে মোট ৩০ হাজার ২০৫ জনে পৌঁছালো। মোট ৪৭টি ল্যাবে কোভিড-১৯ রোগী সনাক্তকরন প্রক্রিয়ায় ৯ হাজার ৯৯৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং এর মধ্যে থেকে ৯ হাজার ৭২৭টি নমুনা পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। এতে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১ হাজার ৬৯৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার ২১ মে সর্বোচ্চ রেকর্ড সংখ্যক ১ হাজার ৭৭৩ জন রোগী সনাক্ত হবার... একদিন পর আজ ৭৯ কম আক্রান্ত হয়েছেন। গত বুধবার ২০ মে সনাক্ত হয় ১ হাজার ৬১৭ জন, গত মঙ্গলবার ১৯ মে ১ হাজার ২৫১ জন, ১৮ মে সোমবার শনাক্ত করা হয়েছিল ১ হাজার ৬০২ জনকে আর গত রবিবার ১৭ মে শনাক্ত হয়েছিলেন ১ হাজার ২৭৩ জন।

এছাড়াও গত শনিবার ১৬ মে ৯৩০ জন, গত শুক্রবার ১৫ মে ১ হাজার ২০২ জন, গত বৃহস্পতিবার ১৪ মে ১ হাজার ৪১ জন, গত বুধবার ১৩ মে ১ হাজার ১৬২ জন এবং গত মঙ্গলবার ১২ মে শনাক্ত হয়েছিলেন ৯৬৯ জন।

অন্যদিকে, অসুস্থ্যদের উপযুক্ত সুচিকিৎসা দেবার ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট ৫৫৮ জন সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন। যার ফলে এযাবৎ মোট সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে গেলেন ৬ হাজার ১৯০ জন। গতকাল ২১ মে বৃহস্পতিবার ৩৯৫ জন, ২০ মে বুধবার ২১৪ জন, ১৯ মে মঙ্গলবার ৪০৮ জন, ১৮ মে সোমবার ২১২ জন সুস্থ্য হয়েছেন।

উল্লেখ্য, দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছিল গত ৮ মার্চ এরপর ঠিক তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম ১ জন এই মহামারী রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন এবং করোনা ভাইরাসে মৃত্যুতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় বাংলাদেশে। 

ডা. নাসিমা সুলতানা করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকা, রমজানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, বেশি বেশি পানি ও তরল জাতীয় খাবার, ভিটামিন সি ও ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া, টাটকা ফলমূল ও সবজি খাওয়াসহ শরীরকে ফিট রাখতে নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করা এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার সবিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন।




মন্তব্য

মন্তব্য করুন