English
শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০
...

২৪ লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২০ মে ২০২০, বুধবার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেছেন, প্রায় ২৪ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে। 

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রলয়ংকারী সাইক্লোন আম্ফান ছুটে আসছে দেশের দক্ষিণাচলের দিকে। তাই এর তান্ডবে বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় আসন্ন বিপদ ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে সারাদেশের মানুষ চরম উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে। এ অবস্থায় সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের সর্বশেষ প্রস্তুতি নিয়ে আজ বিকেলে সচিবালয় থেকে দুর্যোগ ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন। 

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, "এই ঘূর্ণিঝড়ে যাতে একটি মানুষকেও যেন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে ছেড়ে না আসা হয়, আমরা সেই নির্দেশ দিয়েছি। লোকসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা ১২ হাজার ৭৮টি থেকে বাড়িয়ে ১৪ হাজার ৩৩৬টি করা হয়েছে।... এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ২৩ লাখ ৯০ হাজার ৩০৭ জনকে নেওয়া হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার প্রয়োজন না হলে ১৪ হাজার ৩৩৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৭ লাখ ১৩ হাজার ৬০৭ জন মানুষকে রাখা সম্ভব হতো। দূরত্ব নিশ্চিত করতে অর্ধেক লোক রাখা হয়েছে।" 

তিনি আরো বলেন, "ওষুধসহ মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে এনামুর রহমান বলেন, "যারা আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন তাদের মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করা হয়েছে। ভাষাণচরের ১২০টি শেল্টারের মধ্যে একটিতে কিছু মানুষকে রাখা হয়েছে তাদের তদারকিতে নৌবাহিনী রয়েছে, তাদের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরেও ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।"    




মন্তব্য

মন্তব্য করুন