English
শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
...

দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিয়েছেন মেয়র আতিক 

মেয়র আতিকুল ইসলাম

ঢাকা, ১৩ মে ২০২০, বুধবারঃ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিয়েছেন মো. আতিকুল ইসলাম। আজ সীমিত আয়োজনের মধ্যদিয়ে ডিএনসিসি নগর ভবনে ভারপ্রাপ্ত মেয়র জামাল মোস্তফার কাছ থেকে দায়িত্বভার বুঝে নেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই, সচিব রবীন্দ্র শ্রী বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোমিনুর রহমান মামুনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মেয়র আতিকুল ইসলাম গত ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মত ডিএনসিসি’র মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। এর আগে ২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি উপনির্বাচনে জয়লাভ করে প্রথমবারের মতো ডিএনসিসি’র মেয়র হন তিনি। ডিএনসিসি’র প্রথম মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুর পর ওই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

অনলাইন ব্রিফিংয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, "করোনা ভাইরাস রোধে ও করোনা পরীক্ষা সহজ করতে ব্র্যাকের সহায়তায় ডিএনসিসির ৮টি স্থানে নমুনা সংগ্রহ বুথ চালু করা হবে। এ সপ্তাহের মধ্যে এসব বুথ স্থাপন করা হবে। এছাড়া একটি পিসিআর ল্যাব স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।"

মেয়র বলেন, "মহামারির মধ্যে জরুরি সেবা কার্যক্রমের আওতায় যেমন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জীবাণুনাশক ছিঁটানো কাজে নিয়োজিত রয়েছেন সিটি করপোরেশনের অসংখ্য কর্মী। সার্বক্ষণিক মাঠে থাকা এসব কর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য তাদের মাঝে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্কসহ অন্যান্য... নিরাপত্তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কর্মরত ডিএনসিসির সব কর্মীর জন্য স্বাস্থ্যবিমার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ দুর্যোগে যদি কোনো কর্মী করোনায় আক্রান্ত হন, অথবা মারা যান, কর্মীর পরিবার বা আক্রান্ত কর্মী স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আর্থিক সহায়তা পাবেন।"

মেয়র আরও বলেন, "ডিজিটালি নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকল্পে “সবার ঢাকা” অ্যাপ এর কার্যক্রম শুরু হবে। সবার ঢাকা’ অ্যাপের মাধ্যমে নগরবাসী যে কোনো স্থান থেকে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সেবা এবং কাজের ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগ সমাধানের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।" 

তাছাড়া নাগরিকরা যাতে অনলাইনে যে কোনো স্থান থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদান, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধনসহ অনেক নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। 

তিনি সবাইকে আশ্বস্থ করে বলেন, "এছাড়া প্রতি মাসে একবার ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে নগরবাসীর অভিযোগ, চাওয়া-পাওয়া, সমস্যা ইত্যাদি নিয়ে সরাসরি তাদের সাথে কথা বলবো। ফলে নগরবাসীর সমস্যাগুলোর ব্যাপারে তাৎক্ষণিক বা দ্রুততম সময়ে সমাধান করা সম্ভব হবে।"

আতিক বলেন, "এরই মধ্যে ডিএনসিসির অনেকগুলো কাঁচাবাজার খোলা জায়গায় স্থানান্তর করা হয়েছে। আশা করি, সবার সহযোগিতায় এ মহামারী থেকে আমরা মুক্তি পাব। আমাদের অন্যান্য কার্যক্রম মনিটরের জন্য জুম মিটিংয়ের আয়োজন করা হবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে কাউন্সিলরদের সঙ্গে জুম মিটিং করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হবে।"  




মন্তব্য

মন্তব্য করুন