English
৩০ অক্টোবর ২০২০
...

দেশে করোনা ভাইরাসে নতুন আক্রান্ত ১ জন, সুস্থ ১৯ জন

করোনা ভাইরাস

ঢাকা, ৩০ মার্চ ২০২০ সোমবারঃ গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসে দেশে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ১ জন। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৯ জনে। গত ২৪ ঘন্টায় আরও ৪ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে ১৯ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে দেশের সবশেষ পরিস্থিতি জানাতে আজ দুপুরে অনলাইন লাইভ ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) ডা. মো.হাবিবুর রহমান ও আইইডিসিআর’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি বলেন, "দেশে নতুন করে একজন করোনা শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৯ জনে। আর আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ জন। এর মধ্যে একজনের বয়স ৮০ বছর। সুস্থদের মধ্যে একজন চিকিৎসক ও একজন নার্স রয়েছেন। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।"

দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি জানান, "দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বমোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৭০৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৬২৪। দক্ষিণ এশিয়ায় মৃতের সংখ্যা ১৩৯। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে মৃত্যু হয়েছে ২৫ জন।" তিনি বলেন, "বিশ্বের সব দেশেই এখন কোভিডের সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। আমরা যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি, সেগুলো প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। তবে সবকিছুর সফলতা নির্ভর... করবে জনগণ নির্দেশনা কতটুকু মেনে চলেছে তার ওপর। যেসব পরামর্শ দেয়া হয়েছে আমি অনুরোধ করব আমরা সকলেই যেন সেগুলো মেনে চলি। গত কয়েকদিন আক্রান্তের সংখ্যা কম হওয়ায় নিশ্চিন্ত হওয়ার কিছু নেই। এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। আমরাও এর বাইরে নয়।" তিনি সবাইকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানান।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে তিনজনকে শনাক্ত করা হয়। তখন বলা হয়, "এই তিনজনের মধ্যে দুজন ইতালি থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন। তাদের কাছ থেকে একজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর দেশে আরও ৪৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়।গত ১৮ মার্চ দেশে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর আরও চারজন অচেনা ভাইরাসটিতে মারা যান।

ডা. হাবিবুর রহমান জানান, করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা শহরের ৮টি হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া সারাদেশে হাসপাতালগুলোতে আইসলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দেশের ৬৪ জেলায় ৩২৩টি প্রতিষ্ঠানকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে ১৮ হাজার ৯২৩ জনকে সেবা দেয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, "এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৭০টি পিপিই বিতরণ করা হয়েছে। মজুদ আছে আরও ৪১ হাজার ৯৩০টি। শিগগিরই আরও ১০ লাখ পিপিই হাতে আসবে। এছাড়া এ পর্যন্ত ৯২ হাজার টেস্ট কীট সংগ্রহ করা হয়েছে। এরমধ্যে বিতরণ হয়েছে ২০ হাজার এবং ৭২ হাজার টেস্ট কীট হাতে রয়েছে।"




মন্তব্য

মন্তব্য করুন