English
বৃহস্পতিবার ০২ জুলাই ২০২০
...

আগামীকাল ইতালি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ঢাকা, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবারঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতালির প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ কোঁতের আমন্ত্রণে চার দিনের দ্বিপাক্ষিক সফরে আগামীকাল মঙ্গলবার রোমের উদ্দেশে রওনা হবেন। এ সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার ইতালির প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ কোঁতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট মঙ্গলবার সকালে ইতালির রাজধানী রোমের উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করবে। স্থানীয় সময় বিকেল সোয়া ৪টায় ফ্লাইটটি রোমের ফিয়ামিকিনো বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।

ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাবেন। বিমানবন্দরে সংবর্ধনা শেষে একটি আনুষ্ঠানিক মোটর শোভাযাত্রা সহকারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পার্কো দে প্রিন্সিপি গ্র্যান্ড হোটেল অ্যান্ড স্পায় নিয়ে যাওয়া হবে। ইতালি সফরকালে তিনি সেখানে অবস্থান করবেন।

ইতালির রাজধানীতে সফরকালে তিনি সেখানে অবস্থান করবেন। শেখ হাসিনা একই দিন সন্ধ্যায় পার্কো দেই প্রিন্সিপি গ্র্যান্ড হোটেল অ্যান্ড স্পায় তাঁর সম্মানে আয়োজিত একটি সংবর্ধনায় যোগ দিবেন। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে তিনি রোমের ভায়া ডেল’এন্টারটাইড এলাকায় বাংলাদেশ দূতাবাসের চ্যান্সরি ভবন উদ্বোধন করবেন।

আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে শেখ হাসিনা পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী দুপুর ১২ টা ৫০ মিনিটে ট্রেনে করে রোম থেকে ইতালির মিলান শহরের উদ্দেশে যাত্রা করবেন এবং স্থানীয় সময় বিকেল চারটায় সেখানে পৌঁছে যাবেন। মিলান সফরের সময় তিনি... এক্সেলসিয়ার হোটেল গালিয়ায় অবস্থান করবেন।

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি, প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে আমিরাত এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে মিলান মালপেন্সা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন। শেখ হাসিনা ৮ ফেব্রুয়ারি দুবাই হয়ে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ১০ মিনিটে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছবেন।

এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, "প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরকালে ঢাকা ও রোমের মধ্যে তিনটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।" আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের বলেন, "ইতালির হাতে তিনটি খসড়া চুক্তি রয়েছে। তারা যদি প্রধানমন্ত্রীর সফরকালের মধ্যে এগুলো চূড়ান্ত করতে পারে, তবে এ সফরকালে চুক্তিগুলো স্বাক্ষরিত হবে।"

মোমেন আরো বলেন, "প্রস্তাবিত চুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে সাংস্কৃতিক বিনিময়, রাজনৈতিক আলোচনা এবং কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা। পরপর তিনবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউরোপের কোন দেশে শেখ হাসিনার এটাই প্রথম সফর উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে তাঁর এই সফর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও এর চলমান উন্নয়নের জন্য লাভজনক হবে।"

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, তারা এ সফরটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে। কারণ এতে বাংলাদেশের ইতালীয় উদ্যোক্তাদের নতুন বিনিয়োগের সন্ধান, ইতালিতে আরো পণ্য রফতানির পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি রফতানির ক্ষেত্র তৈরি হবে। ইতালি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার এবং সেখানে দুই লাখেরও বেশি বাংলাদেশি বাস করেন।




মন্তব্য

মন্তব্য করুন