খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ধর্ষণের ঘটনাকে রাজনৈতিকীকরণ: প্রকৃত ন্যায়বিচারের পথে বাধা, মন্তব্য রুমিন ফারহানার

Super Admin
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ধর্ষণের ঘটনাকে রাজনৈতিকীকরণ: প্রকৃত ন্যায়বিচারের পথে বাধা, মন্তব্য রুমিন ফারহানার

গোলটেবিল আলোচনায় বক্তব্য দেন রুমিন ফারহানা। রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। ৪ জুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাকে 'রাজনীতিকরণের এক ধ্রুপদী দৃষ্টান্ত' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, প্রতিটি অপরাধের যন্ত্রণা, কষ্ট এবং এর প্রভাব সমান হলেও, কিছু ঘটনা অতিরিক্ত আলোচনা লাভ করে এবং সেগুলোকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়, যা প্রকৃত ন্যায়বিচারের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে 'আর না+' নামক নারী ও শিশু নির্যাতনবিরোধী নাগরিক উদ্যোগের আয়োজনে এক গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। ঈদুল আজহার পূর্বে গত ২৪ মে শাহবাগে এক প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে এই উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল।

রুমিন ফারহানা পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, গত এক মাসে অন্তত ১১৮টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যার অধিকাংশ ভুক্তভোগীই শিশু। তবে, পল্লবীর ঘটনাটিকে এতটাই রাজনৈতিক রঙ দেওয়া হয়েছে যে, কেবল দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাই ঘটনাস্থলে যাননি, এমনকি ভুক্তভোগী শিশুর বাবা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখানেও দুই দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ওই ঘটনার পর আরও অনেক ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটলেও সেগুলোতে এমন রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা দেখা যায়নি। তার মতে, বিচারের আওতায় আনতে হলে কোনো ঘটনাকে অতি আলোচিত হতে হবে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি করতে হবে এবং ব্যাপক জনআলোচনা তৈরি হতে হবে—তবেই রাজনৈতিক মহলের টনক নড়বে এবং বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই প্রবণতাকে তিনি 'চেরি-পিকিং' আখ্যা দিয়ে বলেন, ১০০টি ঘটনার মধ্যে একটি অতিরিক্ত মনোযোগ পায়, বাকি ৯৯টি হারিয়ে যায়। তিনি সতর্ক করে দেন যে, যতদিন পর্যন্ত ঘটনাগুলোকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়া হবে এবং রাজনৈতিকভাবে বিচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, ততদিন পর্যন্ত সত্যিকারের আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না।

আলোচনায় সুস্থ যৌনশিক্ষা বিষয়ক সামাজিক ট্যাবু ভাঙতে গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, ধর্ষণের যে পরিসংখ্যান আমরা দেখি, তা হিমশৈলের চূড়ামাত্র; অনেক ঘটনা কখনোই প্রকাশ্যে আসে না। এ বিষয়ে পরিবারকেও সচেতন হতে হবে। শিশুদের 'ভালো স্পর্শ' ও 'খারাপ স্পর্শ' সম্পর্কে শেখানোর পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের বুঝতে হবে যে, যৌন হয়রানি অন্যান্য অপরাধের মতোই একটি ফৌজদারি অপরাধ। এই অপরাধের জন্য দায়ী কেবল অপরাধী, ভুক্তভোগী নন। এই শিক্ষা ছেলে ও মেয়ে উভয়কেই পরিবার থেকে দিতে হবে, অর্থাৎ সচেতনতা পরিবারের ভেতর থেকেই তৈরি হওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, এই সচেতনতা পরিবার থেকে শুরু হয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়া দরকার।

ধর্ষণের ঘটনায় আপস-মীমাংসার চেষ্টার প্রবণতা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, বিচার বিভাগ যদি আরও সক্রিয়, নারীবান্ধব ও ভুক্তভোগীবান্ধব হয়, তবে বাংলাদেশ আরও নিরাপদ ও উন্নত হবে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেতা মুশফিক উস সালেহীন গোলটেবিল আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন। এতে আরও বক্তব্য দেন চিকিৎসক ও এনসিপির সাবেক নেত্রী তাসনিম জারা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেত্রী উমামা ফাতেমা, নেটওয়ার্ক ফল পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) মুখপাত্র নাজিফা জান্নাত, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন, আইনজীবী ও সাংবাদিক মানজুর আল মতিন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ব্লাস্টের কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার, গণবিপ্লবী উদ্যোগের প্রতিনিধি আরিফ সোহেল, জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টির (জেডিপি) আহ্বায়ক নাঈম আহমাদ এবং প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মনযূরুল হক।

advertisement
advertisement

নিয়মিত ব্যায়ামে সুস্থ জীবন, কমে হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি

Naim Hossan
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ২:২২ অপরাহ্ণ
নিয়মিত ব্যায়ামে সুস্থ জীবন, কমে হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি

সুস্থ ও কর্মক্ষম জীবনযাপনের অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম। বর্তমান ব্যস্ত জীবনযাত্রায় দীর্ঘ সময় বসে থাকা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে বাড়ছে বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি। এ পরিস্থিতিতে নিয়মিত হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা কিংবা ঘরে সাধারণ ব্যায়াম শরীর ও মন সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১৫০ থেকে ৩০০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যকলাপ অথবা ৭৫ থেকে ১৫০ মিনিট উচ্চমাত্রার শারীরিক কার্যকলাপ করা উচিত। পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন পেশিশক্তি বৃদ্ধির ব্যায়াম করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নিয়মিত ব্যায়ামের অন্যতম প্রধান উপকারিতা হলো হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যক্ষমতা উন্নত করা। শারীরিক কার্যকলাপ রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে ব্যায়াম শরীরের ইনসুলিন ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ায়, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি কমাতেও এটি কার্যকর হতে পারে।

শারীরিক উপকারিতার পাশাপাশি ব্যায়াম মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত শরীরচর্চা মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে, মেজাজ ভালো রাখতে এবং ঘুমের মান উন্নত করতে সহায়তা করে। এ ছাড়া নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ পেশি ও হাড়ের শক্তি বজায় রাখা, ভারসাম্য উন্নত করা এবং স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ধরে রাখতেও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য ব্যায়াম শুরু করতে ব্যয়বহুল সরঞ্জাম বা জিমের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটার মাধ্যমে শুরু করে ধীরে ধীরে সময় বাড়ানো যেতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় একটানা বসে থাকা এড়িয়ে চলা, সিঁড়ি ব্যবহার করা এবং দৈনন্দিন কাজে সক্রিয় থাকার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। তবে যাঁদের দীর্ঘস্থায়ী রোগ রয়েছে বা শারীরিক সক্ষমতা সীমিত, তাঁদের ব্যায়ামের ধরন নির্ধারণে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সব মিলিয়ে, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম সুস্থ জীবনযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমাতে, শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে এবং মানসিক সুস্থতা উন্নত করতে সহায়তা করে। তাই সুস্থ ও সক্রিয় জীবন নিশ্চিত করতে ব্যায়ামকে সাময়িক উদ্যোগ হিসেবে নয়, বরং প্রতিদিনের অভ্যাস হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) — শারীরিক কার্যকলাপ ও স্বাস্থ্য।

 

কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, তবে আবহাওয়া ও উৎপাদন ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ

Mahir Alam
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ
কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, তবে আবহাওয়া ও উৎপাদন ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ

বাংলাদেশের কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি নানা চ্যালেঞ্জও দেখা যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ, আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিকল্প ফসল উৎপাদনে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। তবে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রার পরিবর্তন, সার ও সেচের ব্যয় এবং বাজারদরের ওঠানামা কৃষকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে আছে।


রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলে আগাম সবজি চাষ কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে প্রকাশিত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকায় কৃষকেরা আগাম সবজি উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছিলেন। অনুকূল বাজার ও ভালো ফলনের প্রত্যাশা এ ধরনের চাষে আগ্রহ বাড়াচ্ছে।

 

তবে সব অঞ্চলে পরিস্থিতি এক রকম নয়। অক্টোবরের শুরুতে প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদনে বগুড়ায় আগাম শীতকালীন সবজি উৎপাদনে অনিয়মিত বৃষ্টি ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রভাবের কথা উঠে আসে। উৎপাদন কমে গেলে এবং বাজারে দাম অনুকূলে না থাকলে কৃষকদের উৎপাদন খরচ তুলে আনাও কঠিন হয়ে পড়ে।

 

কৃষি খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা। বীজ, সার, কীটনাশক, শ্রমিক ও সেচের ব্যয় বাড়লে কৃষকের লাভের পরিমাণ কমে যেতে পারে। অন্যদিকে, একসঙ্গে বেশি ফসল বাজারে এলে দাম কমে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে।

 

এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের জন্য প্রয়োজন সময়োপযোগী আবহাওয়ার পূর্বাভাস, উন্নত বীজ, সঠিক কৃষি পরামর্শ, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ বাড়ানো। পাশাপাশি কৃষিপণ্য সরাসরি বাজারজাত করার ব্যবস্থা শক্তিশালী করা গেলে মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং ন্যায্য দাম পাওয়ার সুযোগ বাড়তে পারে।

 

বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম। তাই শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয়, কৃষকের আয় নিশ্চিত করা, ফসলের অপচয় কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলাও এখন গুরুত্বপূর্ণ।


আমির খান আবার বিয়ে করছেন, পাত্রী কে

Super Admin
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আমির খান আবার বিয়ে করছেন, পাত্রী কে

আমির খান আবার বিয়ে করছেন, পাত্রী কে

নিজেকে ভাঙাগড়ার খেলায় মেতেছেন শাকিব খান। প্রতি ঈদে তিনি যেমন নতুন পরিচালকদের সুযোগ করে দিচ্ছেন, তেমনি নিজেকে নিয়েও করছেন দেদার পরীক্ষা-নিরীক্ষা। শাকিব খান নিজেকে ভাঙছেন ঠিকই, কিন্তু পরিচালকেরা কি তাঁকে সেভাবে কাজে লাগাতে পারছেন? কথা হচ্ছিল ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া আজমান রুশোর সিনেমা ‘রকস্টার’ নিয়ে। টিজার, পোস্টার আর গান দিয়ে মুক্তির আগে যেভাবে সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ জাগিয়েছিলেন নতুন পরিচালক, সিনেমা হলে গিয়ে সেসবের প্রতিফলন কতটা দেখতে পেলেন দর্শক?


শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, ‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, 

‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, ‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।