খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়

Super Admin
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন অধ্যায়

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর বক্তব্য দিচ্ছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। আজ মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে আট ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে এক বছরের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হন। নির্বাচনে খলিলুর রহমান নিরানব্বইটি ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন, যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পান একানব্বইটি ভোট।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল দশটায় জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত ১৯৩টি দেশের প্রতিনিধিরা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে দুই প্রার্থীর পক্ষে তাদের রায় দেন। মোট ১৯০টি ভোট এই নির্বাচনে পড়েছে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই অধিবেশন শুরু হবে এবং ২২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ভাষণ প্রদানের মধ্য দিয়ে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক পর্বের সূচনা হবে। এই অধিবেশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সভাপতির ভূমিকা পালন করবেন। মঙ্গলবার নিউইয়র্কের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উপস্থিত ছিলেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, এই বিজয় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের প্রতি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা এবং ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক প্রভাবের এক সুস্পষ্ট দৃষ্টান্ত।

এই জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি দ্বিতীয়বারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনে বসলেন। এর আগে, আজ থেকে চল্লিশ বছর পূর্বে, ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী। তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদও অলংকৃত করেন। পরবর্তীতে হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্বও পালন করেন।

সাবেক পেশাদার কূটনীতিক খলিলুর রহমান তার কর্মজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জেনেভা ও নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বিভিন্ন সংস্থায় অতিবাহিত করেছেন। ১৯৯১ সালে তিনি জেনেভায় জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনের (আঙ্কটাড) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে যোগদান করেন। এরপর দীর্ঘ পঁচিশ বছর তিনি নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রকাশনার প্রধান লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে বাংলাদেশের কূটনীতিকরা জানিয়েছেন যে, ‘রেসিপ্রোকাল সাপোর্ট অ্যারেঞ্জমেন্ট’ (আরএসএ) বা একে অপরকে ভোট দেওয়ার জন্য পারস্পরিক সহযোগিতামূলক চুক্তির মাধ্যমেই এবারের ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে। এই পারস্পরিক সমর্থন আদায়ে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকা থাকায় মাত্র তিন মাসের প্রচারণার পরেও দেশের প্রার্থী জয়ী হতে সক্ষম হয়েছেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ২০২০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নিজেদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিল। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে এই পদের জন্য দেশের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয় গত ২৭ ফেব্রুয়ারি। এরপর থেকেই পূর্ণোদ্যমে কূটনৈতিক প্রচারণা শুরু হয়। দীর্ঘ প্রস্তুতির সুযোগ না থাকলেও, বাংলাদেশ এই স্বল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন দেশের সাথে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা, দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ এবং বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক ফোরামে অত্যন্ত সক্রিয় ও কৌশলগত প্রচারণা চালিয়ে আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভে সফল হয়। অপরদিকে, বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস ২০১৬ সালে তাদের প্রার্থিতা ঘোষণা করে এবং এক দশক ধরে ধারাবাহিক প্রচারণা চালিয়ে আসছিল।

এই ঐতিহাসিক বিজয় অর্জনের জন্য বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সাথে, জাতিসংঘ ঘোষিত মূলনীতি ও উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

advertisement
advertisement

নিয়মিত ব্যায়ামে সুস্থ জীবন, কমে হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি

Naim Hossan
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
নিয়মিত ব্যায়ামে সুস্থ জীবন, কমে হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি

সুস্থ ও কর্মক্ষম জীবনযাপনের অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম। বর্তমান ব্যস্ত জীবনযাত্রায় দীর্ঘ সময় বসে থাকা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে বাড়ছে বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি। এ পরিস্থিতিতে নিয়মিত হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা কিংবা ঘরে সাধারণ ব্যায়াম শরীর ও মন সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১৫০ থেকে ৩০০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যকলাপ অথবা ৭৫ থেকে ১৫০ মিনিট উচ্চমাত্রার শারীরিক কার্যকলাপ করা উচিত। পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন পেশিশক্তি বৃদ্ধির ব্যায়াম করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নিয়মিত ব্যায়ামের অন্যতম প্রধান উপকারিতা হলো হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যক্ষমতা উন্নত করা। শারীরিক কার্যকলাপ রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে ব্যায়াম শরীরের ইনসুলিন ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ায়, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি কমাতেও এটি কার্যকর হতে পারে।

শারীরিক উপকারিতার পাশাপাশি ব্যায়াম মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত শরীরচর্চা মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে, মেজাজ ভালো রাখতে এবং ঘুমের মান উন্নত করতে সহায়তা করে। এ ছাড়া নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ পেশি ও হাড়ের শক্তি বজায় রাখা, ভারসাম্য উন্নত করা এবং স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ধরে রাখতেও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য ব্যায়াম শুরু করতে ব্যয়বহুল সরঞ্জাম বা জিমের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটার মাধ্যমে শুরু করে ধীরে ধীরে সময় বাড়ানো যেতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় একটানা বসে থাকা এড়িয়ে চলা, সিঁড়ি ব্যবহার করা এবং দৈনন্দিন কাজে সক্রিয় থাকার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। তবে যাঁদের দীর্ঘস্থায়ী রোগ রয়েছে বা শারীরিক সক্ষমতা সীমিত, তাঁদের ব্যায়ামের ধরন নির্ধারণে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সব মিলিয়ে, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম সুস্থ জীবনযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমাতে, শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে এবং মানসিক সুস্থতা উন্নত করতে সহায়তা করে। তাই সুস্থ ও সক্রিয় জীবন নিশ্চিত করতে ব্যায়ামকে সাময়িক উদ্যোগ হিসেবে নয়, বরং প্রতিদিনের অভ্যাস হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) — শারীরিক কার্যকলাপ ও স্বাস্থ্য।

 

কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, তবে আবহাওয়া ও উৎপাদন ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ

Mahir Alam
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ
কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা, তবে আবহাওয়া ও উৎপাদন ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ

বাংলাদেশের কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি নানা চ্যালেঞ্জও দেখা যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ, আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিকল্প ফসল উৎপাদনে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। তবে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রার পরিবর্তন, সার ও সেচের ব্যয় এবং বাজারদরের ওঠানামা কৃষকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে আছে।


রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলে আগাম সবজি চাষ কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে প্রকাশিত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকায় কৃষকেরা আগাম সবজি উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছিলেন। অনুকূল বাজার ও ভালো ফলনের প্রত্যাশা এ ধরনের চাষে আগ্রহ বাড়াচ্ছে।

 

তবে সব অঞ্চলে পরিস্থিতি এক রকম নয়। অক্টোবরের শুরুতে প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদনে বগুড়ায় আগাম শীতকালীন সবজি উৎপাদনে অনিয়মিত বৃষ্টি ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রভাবের কথা উঠে আসে। উৎপাদন কমে গেলে এবং বাজারে দাম অনুকূলে না থাকলে কৃষকদের উৎপাদন খরচ তুলে আনাও কঠিন হয়ে পড়ে।

 

কৃষি খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা। বীজ, সার, কীটনাশক, শ্রমিক ও সেচের ব্যয় বাড়লে কৃষকের লাভের পরিমাণ কমে যেতে পারে। অন্যদিকে, একসঙ্গে বেশি ফসল বাজারে এলে দাম কমে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে।

 

এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের জন্য প্রয়োজন সময়োপযোগী আবহাওয়ার পূর্বাভাস, উন্নত বীজ, সঠিক কৃষি পরামর্শ, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ বাড়ানো। পাশাপাশি কৃষিপণ্য সরাসরি বাজারজাত করার ব্যবস্থা শক্তিশালী করা গেলে মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং ন্যায্য দাম পাওয়ার সুযোগ বাড়তে পারে।

 

বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম। তাই শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয়, কৃষকের আয় নিশ্চিত করা, ফসলের অপচয় কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলাও এখন গুরুত্বপূর্ণ।


আমির খান আবার বিয়ে করছেন, পাত্রী কে

Super Admin
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আমির খান আবার বিয়ে করছেন, পাত্রী কে

আমির খান আবার বিয়ে করছেন, পাত্রী কে

নিজেকে ভাঙাগড়ার খেলায় মেতেছেন শাকিব খান। প্রতি ঈদে তিনি যেমন নতুন পরিচালকদের সুযোগ করে দিচ্ছেন, তেমনি নিজেকে নিয়েও করছেন দেদার পরীক্ষা-নিরীক্ষা। শাকিব খান নিজেকে ভাঙছেন ঠিকই, কিন্তু পরিচালকেরা কি তাঁকে সেভাবে কাজে লাগাতে পারছেন? কথা হচ্ছিল ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া আজমান রুশোর সিনেমা ‘রকস্টার’ নিয়ে। টিজার, পোস্টার আর গান দিয়ে মুক্তির আগে যেভাবে সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ জাগিয়েছিলেন নতুন পরিচালক, সিনেমা হলে গিয়ে সেসবের প্রতিফলন কতটা দেখতে পেলেন দর্শক?


শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, ‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, 

‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।শাকিব খানকে নতুনরূপে দেখে অনেক দর্শক আনন্দ পেয়েছেন, সে কথা বলাই বাহুল্য। আগের সিনেমাগুলোতে (‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘প্রিন্স’) শাকিব খানকে দেখা গিয়েছিল অ্যাকশনের মেজাজে। প্রায় সব ছবিতে ছিলেন মেশিনগান হাতে। তবে ‘রকস্টার’ সিনেমায় তিনি হাতে তুলে নিয়েছেন গিটার আর মাইক। সিনেমার একপর্যায়ে আগুন (শাকিব খান) বলেন, ‘এবার আমি মেশিনগান ছেড়ে গিটার হাতে নিলাম।’ এটা যেন নিজেকে নিয়ে নিজেরই করা দারুণ এক মজা, যেমনটা ‘উৎসব’-এ করেছিলেন জয়া আহসান।