English
বুধবার ২৫ নভেম্বর ২০২০
...

করোনা যুদ্ধ: বাংলাদেশে একদিনে মৃত ৫ জন, আক্রান্ত ৪১৮

করোনা ভাইরাস

ঢাকা, ২৬ এপ্রিল ২০২০, রবিবারঃ বাংলাদেশে মহামারী প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে কেঁড়ে নিল মোট ১৪৫ জন মানুষের জীবন এবং গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৪১৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আর এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি গেছেন ১২২ জন।

আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন হেলথ বুলেটিনে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানান। ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, "গতকালের চেয়ে আজ আক্রান্ত ১০৯ জন বেশি। গতকাল আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩০৯ জন। এ ছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় দেশে আরও ৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৫ বলে তিনি জানান।" 

তিনি জানান, "গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৪৭৩ জনের। এর মধ্যে ৪১৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া আরও ৫ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী। মৃতদের মধ্যে ৩ জন ৫১-৬০ বছর বয়সী। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ৯ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১২২ জন।"

আজ সকাল পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ লাখ ২১ হাজার ২০১ জনে দাঁড়িয়েছে। ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাস আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত ২ লাখ ৩ হাজার ২৮৯ জন মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, "গত ২৪ ঘন্টায়... হটলাইন নম্বরে ৭৭ হাজার ৯০১ জনকে এবং এ পর্যন্ত ৩৩ লাখ ৯১ হাজার ১১ জনকে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া মোবাইল ও ওয়েবসাইটে গত ২৪ ঘন্টায় ৩১ হাজার ৮৫৮ জন এবং এ পর্যন্ত ১৪ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৮ জনকে স্বাস্থ্য পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস চিকিৎসা বিষয়ে এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৪২৫জন চিকিৎসক অনলাইনে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। গত ২৪ ঘন্টায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ২৫ জন। এদের মধ্যে ৪ হাজার ২০২ জন স্বাস্থ্য বাতায়ন ও আইইডিসিয়ার’র হটলাইনগুলোতে স্বেচ্ছাভিত্তিতে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘন্টা জনগণকে চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিচ্ছেন।"

ডিসেম্বরে চীনে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেলেও বাংলাদেশে ভাইরাসটি শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। ওইদিন তিন জন করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা অনেকটাই সমান্তরাল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে হুট করেই বাড়তে থাকে রোগীর সংখ্যা।

ডা. নাসিমা সুলতানা আরও বলেন, "করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকা, রমজানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, বেশি বেশি পানি ও তরল জাতীয় খাবার, ভিটামিন সি ও ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া, টাটকা ফলমূল ও সবজি খাওয়াসহ শরীরকে ফিট রাখতে নিয়মিত হালকা ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়।"




মন্তব্য

মন্তব্য করুন