English
মঙ্গলবার ০১ ডিসেম্বর ২০২০
...

করোনা যুদ্ধ: বাংলাদেশে একদিনে মৃত ৭ জন, আক্রান্ত ৪১৪

করোনা ভাইরাস

ঢাকা, ২৩ এপ্রিল ২০২০,বৃহস্পতিবারঃ বাংলাদেশে মহামারী প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে কেঁড়ে নিল মোট ১২৭ জন মানুষের জীবন এবং গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৪১৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আর এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি গেছেন ১০৮ জন। 

আজ দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে নিজ বাসা থেকে যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব তথ্য জানান। অধিদপ্তর থেকে যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা করোনার সর্বশেষ পরিস্থিতি উপস্থাপন করেন।

ডা. নাসিমা সুলতানাা বলেন, "দেশে করোনাভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণ ঘটেছে। যখন কোথাও সংক্রমণ ঘটলে এর উৎস জানা যায় না বা আক্রান্ত ব্যক্তি কিভাবে সংক্রমিত হলেন তা বোঝা যায় না, তখন সে অবস্থাকে সামাজিক সংক্রমণ বলে। বাংলাদেশ এখন সংক্রমণের তৃতীয় ধাপে রয়েছে।’ অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৫ জন, নারী ২ জন। মৃতরা সবাই ঢাকার ভিতরের। এদের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব ৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২ জন এবং ৪১ থেকে ৫০ এর মধ্যে ১ জন।"

তিনি বলেন, "করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১টি প্রতিষ্ঠানে তিন হাজার ৯২১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে তিন হাজার ৪১৬টি নমুনা। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৯০টি। নতুন যে... নমুনা পরীক্ষা হয়েছে তার মধ্যে আরও ৪১৪ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৮৬ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৭ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১২৭ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়ে উঠেছেন আরও ১৬ জন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা ১০৮।"

ডা. নাসিমা সুলতানা আরও জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৩ হাজার ৯২১টি। দেশের ২১টি পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩ হাজার ৪১৬টি। গতকালের চেয়ে নমুনা সংগ্রহের হার ২৮.৪৭ শতাংশ এবং নমুনা পরীক্ষার হার আগের দিনের চেয়ে দশমিক ১০.৩৪ শতাংশ বেশি। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৯০টি।  

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সামাল দিতে নতুন করে শিগগিরই ৮ হাজার চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ দেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এরমধ্যে ২ হাজার চিকিৎসক ও ৬ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হবে।" তিনি আরও বলেন, "বিভিন্ন খবরের কাগজে ও গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে, ভিআইপিদের জন্য আলাদা হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছে- এ বিষয়টি সঠিক নয়।" সরকার এরকম কোনো ধরনের ব্যবস্থা করেনি। সবার জন্যই একই হাসপাতাল ও একই চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কেউ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো ধরনের বিবৃতি দেবেন না, যার কারণে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এটি সরকারি নীতিবহির্ভূত।




মন্তব্য

মন্তব্য করুন